সুনামগঞ্জ , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ , ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারাদেশে সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পাহাড়ি ঢলের তান্ডবে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, চরম দুর্ভোগে সীমান্তবাসী একদিনেই দুই শিশুর মৃত্যু, জেলায় মৃতের সংখ্যা ৪৭ মধ্যনগরের ১৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমপি কামরুলের অর্থায়নে নৌকা বিতরণ পথে যেতে যেতে: পথচারী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে সওজকে আদালতের নির্দেশ ‎আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন পাঁচ মিনিটের বক্তব্যে মুগ্ধ করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ বর্ষায় নজরুল : শিল্পকলা একাডেমিতে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা মৃত্যুর শীর্ষে সুনামগঞ্জ, ৭ মাসে প্রাণ গেল ৪৫ শিশুর মধ্যনগরে শিশু ধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ‎জামালগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে এমরান হোসেন রুবেলের দাবি রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই মাদক মামলায় জড়ানো হয়েছে ৫ গুণীজন পেলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মির্জা ফখরুল হেফাজতের উদ্যোগে এক হচ্ছে ৭ ইসলামি দল শান্তিগঞ্জে রুস্তম আলী হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হাওর-নদী হারাচ্ছে পানি ধারণ ক্ষমতা, বাড়ছে অকাল বন্যার শঙ্কা

ক্যান্সারে আক্রান্ত জামাল উদ্দিন বাঁচতে চান

  • আপলোড সময় : ১৬-১২-২০২৫ ০২:১৯:২৫ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-১২-২০২৫ ০২:১৯:২৫ অপরাহ্ন
ক্যান্সারে আক্রান্ত জামাল উদ্দিন বাঁচতে চান
স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের এক জীর্ণ কুঁড়েঘরে প্রতিদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত জামাল উদ্দিন (৪৫)। মরহুম ফয়েজ আহমদের ছেলে জামাল দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী। চিকিৎসা তো দূরের কথা, নিয়মিত ওষুধ কেনার সামর্থ্যও নেই তার পরিবারের। জামাল উদ্দিনের সংসারে রয়েছে স্ত্রী ও তিনটি অবুঝ ছোট সন্তান। উপার্জনক্ষম একমাত্র মানুষটি যখন অসহায়ভাবে বিছানায় পড়ে আছেন, তখন পরিবারটিও পড়েছে চরম মানবেতর জীবনে। স্থানীয়দের সহানুভূতিশীল সহযোগিতায় কোনোভাবে দিন কাটলেও প্রতিদিনের আহার জোটে না অনেক সময়। অন্ন-বস্ত্রহীন এই পরিবারটি একটি জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরেই আশ্রয় নিয়েছে। অসুস্থ শরীর নিয়েই সম্প্রতি প্রতিবেশীদের সহায়তায় জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে সরকারি অনুদানের জন্য আবেদন করেন জামাল উদ্দিন। এদিকে, চিকিৎসা ও সংসারের খরচ মেটাতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে নেওয়া ঋণের চাপে মাথাগোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও হারাতে বসেছে পরিবারটি। মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে জামাল উদ্দিনের একমাত্র চাওয়া জীবিত থাকতেই সমাজসেবার অনুদান হাতে পাওয়া। কারণ তিনি জানেন, তারপরে এই অসহায় সন্তানদের দেখার মতো আর কেউ নেই। কান্নাজড়িত কণ্ঠে জামাল উদ্দিন বলেন, আমি আমার পরিবারের জন্য কিছুই করতে পারিনি। অসুস্থতার কারণে ঠিকমতো ওষুধও খেতে পারছি না। জানি, আমি আর বাঁচবো না। কিন্তু আমার চোখের সামনে যখন আমার ছোট ছোট সন্তানরা না খেয়ে থাকে, তখন বুক ফেটে যায়। আমি মারা গেলে ওদের কে দেখবে? আমি শুধু চাই, আমার সন্তানরা যেন অন্তত অন্নবস্ত্র পেয়ে মানুষ হতে পারে। সরকারের অনুদানটাই আমার শেষ আশা। এ বিষয়ে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সুচিত্রা রায় জানান, আগামী ১৭ ডিসেম্বর সভায় বিষয়টি অনুমোদন হলে জামাল উদ্দিনকে অনুদান প্রদান করা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স